মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

দর্শনীয় স্থান

১- বাঁশবাড়ীয়া সমুদ্র সৈকতঃ-

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:

প্রাকৃতিক সূন্দর্যের লীলাভূমি সীতাকুন্ড উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়নে বাঁশবাড়ীয়া সমুদ্র সৈকত অবস্থিত।

বাঁশবাড়ীয়া বেরী বাঁধ পেরিয়ে সমুদ্র সৈকতের দিকে যেতেই বাম দিকে ঝাউ বাগান । এরপরই কয়েক গজ দক্ষিণে " বাঁশবাড়ীয়া ফেরি ঘাট" এর পাশে রয়েছে "কেউড়া গাছের বাগান" পিকনিক স্পট, এর পর রয়েছে কাংখিত  বিশাল সমুদ্র সৈকত। এ সৈকতের পূর্ব দিকে এগুলোই প্রথমে দেখা যাবে  সুন্দর আকৃতির ঝাউ বাগান। বন বিভাগের উদ্দ্যোগে বিভিন্ন প্রজাতির ঝাউগাছ লাগিয়ে সমুদ্র সৈকতের শোভা বর্ধন করা হয়েছে। এ নারিকেল ও ঝাউ বাগানের মধ্যেও রয়েছে পিকনিক স্পট যেখানে পর্যটকরা দল বেঁধে বনভোজনের অনাবিল আনন্দে নিজেদের একাকার করে তোলে

কিভাবে যাওয়া যায়:

বাঁশবাড়ীয়া সমৃদ্র সৈকত বাস ও সিএনজি যোগে যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম নিউ মার্কেট থেকে সরাসরি বাঁশবাড়ীয়া পর্যন্ত ৭ নং গাড়ি রয়েছে, ভাড়া পড়বে ৩৫ টাকা। ইচ্ছে করলে আপনি হেটে অথবা রিকসা কিংবা সিএনজিতে ও যেতে পারবেন। রিকসা ভাড়া-৩০ টাকা। ফেরার পথে বাঁশবাড়ীয়া থেকেই ঢাকাগামী বা চট্টগ্রাম বাসে উঠে যেতে পারেন।

২- রাবার বাগান

বাণিজ্যিক রাবার চাষে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নে ১৯৯৩ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি মালিকানায় গড়ে তোলা রাবার বাগান ব্যবসায়িকভাবে লাভের মুখ দেখছে।
স্থানীয়রা বাঁশবাড়ীয়া রাবার বাগানে উৎপাদিত রাবার ল্যাটেক্সকে তরল ‘সাদা সোনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এ উপজেলায় উৎপাদিত রাবার দেশের রাবার শিল্পের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। বাঁশবাড়ীয়া রাবার বাগানের ম্যানেজার মোঃ মুফিজ ( 01683-60274301683-602743) জানান, চারা লাগানোর ৭ বছর পর রাবার উৎপাদন শুরু করা যায়। প্রতিটি গাছ উৎপাদনের প্রথম থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত নির্দিষ্ট হারে রাবার উৎপাদন হয়। আর প্রতি গাছ থেকে গড়ে বার্ষিক ১২ কেজি ল্যাটেক্স (তরল সাদা কষ) পাওয়া যায়।
প্রতি কেজি ‘ গ্রেড-১’ রাবার ২৫০ থেকে ৩৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করা হয়

এ ছাড়াও এখানে রয়েছে হরেক রকমের ফলজ,বনজ, ও মহা মূল্যবান ঔষধি গাছ----------------------

কিভাবে যাওয়া যায়:

বাঁশবাড়ীয়া রাবার বাগানে বাস ও সিনিজি যোগে যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম নিউ মার্কেট থেকে সরাসরি বাঁশবাড়ীয়া পর্যন্ত ৭ নং গাড়ি রয়েছে, ভাড়া পড়বে ৩৫ টাকা। আপনি হেটে বাঁশবাড়ীয়া বাজার অতিক্রম করে রেল লাইন এর পরেই প্রাকৃতিক সূন্দর্যময় বাঁশবাড়ীয়া রাবার বাগান

 

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter